বর্তমান ভারতে বহু শিক্ষার্থী অর্থের অভাবে মেধা থাকা সত্ত্বেও উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনেকের পক্ষে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে যাতে কেউ উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয় তার জন্য কেন্দ্র সরকার যেমন বিভিন্ন ধরনের স্কলারশিপ নিয়ে এসেছেন ঠিক তেমনি রাজ্য সরকারও রাজ্যের শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের স্কলারশিপ এর ব্যবস্থা করেছেন। মুদ্রাস্ফীতির এই যুগে পড়াশোনার খরচ চালানো মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের কাছে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। কিন্তু সেই চিন্তার দিন এবার শেষ! মেধাবী অথচ আর্থিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে ভারত সরকার নিয়ে এসেছে এক যুগান্তকারী নতুন উদ্যোগ। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ন্যাশনাল স্কলারশিপ পোর্টাল’ (NSP)-এর মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা এবার সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেয়ে যেতে পারেন ১০,০০০ থেকে শুরু করে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত স্কলারশিপ। কেন্দ্র সরকার দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র-ছাত্রীদের এই স্কলারশিপের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন এবং ভবিষ্যতেও করতে চলেছেন।

যারা স্কুল কলেজ অথবা বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা করেন তাদের জন্য এবার কেন্দ্র সরকারের নতুন এই স্কলারশিপ। যাদের পরিবারের আর্থিক আয় কম এবং উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চাই তাদের জন্য মূলত আজকের এই প্রতিবেদনটি। NSP Scholarship 2025-এর খুঁটিনাটি, যোগ্যতা, এবং আবেদনের ধাপে ধাপে পদ্ধতি জানতে প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
NSP বা ন্যাশনাল স্কলারশিপ পোর্টাল কী?
সহজ কথায় বলতে গেলে, NSP (National Scholarship Portal) হলো ভারত সরকারের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের অধীনে তৈরি একটি ওয়ান-স্টপ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। এই স্কলারশিপের মাধ্যমে স্কুলে পড়া ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে কলেজে পড়া ছাত্রছাত্রী এমনকি ইউনিভার্সিটিতে পড়া ছাত্রছাত্রীরা ও বিভিন্নভাবে উপকৃত হচ্ছেন এবং মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে। আগে বিভিন্ন স্কলারশিপের জন্য বিভিন্ন অফিসে দৌড়াদৌড়ি করতে হতো, কিন্তু এখন এই একটি পোর্টালের মাধ্যমেই কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থা (যেমন UGC, AICTE)-র স্কলারশিপের জন্য আবেদন করা যায়।
এই পোর্টালের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো DBT (Direct Benefit Transfer) পদ্ধতি। এখানে সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে আপনার টাকা চলে আসে এর ফলে এখানে কোন জালিয়াতের সমস্যা নেই। স্কলারশিপের টাকা সরাসরি সরকারি সরকারি কোষাগার থেকে ছাত্রছাত্রীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। স্বচ্ছতা এবং দ্রুততার জন্যই এই পোর্টালটি আজ কোটি কোটি ছাত্রছাত্রীর ভরসার জায়গা।
NSP Scholarship 2025-এর মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এই স্কলারশিপের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি:
কারা আবেদন করতে পারবেন? (Eligibility Criteria)
NSP-তে বিভিন্ন ধরণের স্কিম রয়েছে এবং প্রতিটি স্কিমের জন্য আলাদা আলাদা যোগ্যতা প্রয়োজন। এখানে প্রথম শ্রেণী থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষিত সকলেই আবেদন জানানোর সুযোগ পাবেন। সকলের জন্যই এখানে আলাদা আলাদা স্কলারশিপ ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সাধারণ বা বেসিক যোগ্যতাগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. নাগরিকত্ব: আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। অর্থাৎ ভারতীয় বাসিন্দা হলেই এখানে আবেদনের সুযোগ রয়েছে।
২. শিক্ষাগত যোগ্যতা:
-
আবেদনকারীকে ভারত সরকার দ্বারা স্বীকৃত যে কোনো স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশনের নিয়মিত (Regular) ছাত্র বা ছাত্রী হতে হবে। তবে এক্ষেত্রে যদি আপনি দূরশিক্ষায় বা ডিসটেন্স এর মাধ্যমে পড়াশোনা করেন তাহলে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
-
দূরশিক্ষণ (Distance Education) বা করেসপন্ডেন্স কোর্সের ছাত্রছাত্রীরা সচরাচর এই স্কলারশিপের যোগ্য নন। এখানে টাকা পেতে গেলে আপনাকে রেগুলার কোন কোর্সে ভর্তি হতে হবে।
-
প্রি-ম্যাট্রিক (১ম থেকে ১০ম শ্রেণি), পোস্ট-ম্যাট্রিক (১১শ, ১২শ, আইটিআই, পলিটেকনিক) এবং উচ্চশিক্ষার (স্নাতক, স্নাতকোত্তর, পিএইচডি) ছাত্রছাত্রীরা আবেদন করতে পারবেন। অর্থাৎ এখানে সমস্ত ধরনের ছাত্রছাত্রীরা তাদের নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও নির্দিষ্ট শ্রেণী অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন।
-
পূর্ববর্তী ক্লাসে বা সেমিস্টারে কমপক্ষে ৫০% নম্বর (স্কিম অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে) থাকা বাঞ্ছনীয়।
৩. পারিবারিক আয়: এখানে যে সমস্ত ব্যক্তিরা আবেদন জানাতে ইচ্ছুক সেই সমস্ত ব্যক্তিদের আবেদনকারীর পারিবারিক বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকার নিচে হতে হবে। কিছু কিছু স্কিমের ক্ষেত্রে এই সীমা ১ লক্ষ বা ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
৪. ক্যাটাগরি: এখানে জেনারেল প্রার্থী থেকে শুরু করে এসসি এসটি ওবিসি ক্যাটাগরি ও পিএইচ ক্যাটাগরির সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন জানানোর সুযোগ পাবেন।
NSP-তে কত ধরণের স্কলারশিপ পাওয়া যায়?
NSP পোর্টালে মূলত তিন ধরণের স্কিম থাকে:
১. সেন্ট্রাল স্কিম (Central Schemes): এটি সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক দ্বারা পরিচালিত হয়। যেমন:
-
Ministry of Minority Affairs (সংখ্যালঘুদের জন্য)।
-
Department of Empowerment of Persons with Disabilities (প্রতিবন্ধীদের জন্য)।
-
Ministry of Social Justice & Empowerment (SC/OBC-দের জন্য)।
-
Ministry of Labour & Employment (শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য)।
২. ইউজিসি ও এআইসিটিই স্কিম (UGC & AICTE Schemes): কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য এই স্কিমগুলো সেরা।
-
UGC: ঈশান উদয় (উত্তর-পূর্ব ভারতের জন্য), পিজি স্কলারশিপ (একমাত্র কন্যা সন্তানের জন্য) ইত্যাদি।
-
AICTE: প্রগতি স্কলারশিপ (টেকনিক্যাল লাইনে মেয়েদের জন্য), সক্ষম স্কলারশিপ (প্রতিবন্ধীদের জন্য)।
৩. রাজ্য স্কিম (State Schemes): বিভিন্ন রাজ্য সরকারও তাদের নিজস্ব স্কলারশিপ এই পোর্টালে লিস্ট করে থাকে। আপনি আপনার রাজ্যের ডোমিসাইল অনুযায়ী সেখানে আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রতিটি রাজ্যের জন্য আলাদা আলাদা স্কলারশিপ রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ও আপনি ওয়াসিস স্কলারশিপের জন্য আবেদন জানাতে পারেন। তবে আপনি যেকোনো একটি স্কলারশিপ এর জন্য উপযুক্ত হবেন আপনি একই ব্যক্তির সমস্ত ধরনের স্কলারশিপে আবেদন জানাতে পারবেন না।
কত টাকা স্কলারশিপ পাওয়া যাবে?
টাকার পরিমাণ নির্ভর করে আপনি কোন ক্লাসে পড়ছেন এবং কোন স্কিমে আবেদন করছেন তার ওপর।
-
স্কুল পর্যায় (১ম – ১০ম): সাধারণত ১,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
-
উচ্চ মাধ্যমিক ও আইটিআই: ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত।
-
স্নাতক ও ইঞ্জিনিয়ারিং: ২০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
-
পিএইচডি বা রিসার্চ: এর পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।
এই টাকাটি মূলত টিউশন ফি, অ্যাডমিশন ফি এবং মেইনটেইনেন্স অ্যালাউন্স হিসেবে দেওয়া হয়। অর্থাৎ এখানে সমস্ত ধরনের শিক্ষার্থীদেরই টাকা দেওয়া হবে তবে ক্লাস ও কোর্স অনুযায়ী আলাদা আলাদা টাকার পরিমান রয়েছে।
আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র (Documents Required)
আবেদন শুরু করার আগে নিচের ডকুমেন্টগুলো হাতের কাছে স্ক্যান করে রাখুন। কোনো ভুল ডকুমেন্ট আপলোড করলে আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে।
- আধার কার্ড
- ব্যাংক একাউন্টের ডিটেলস
- শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র
- ভর্তির রশিদ
- জাতিগত শংসাপত্র যদি থাকে
- ইনকাম সার্টিফিকেট
- পাসপোর্ট সাইজের ফটো
NSP Scholarship 2025: অনলাইনে আবেদনের ধাপে ধাপে পদ্ধতি
অনেক ছাত্রছাত্রী সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে ভুল ফর্ম ফিলাপ করে ফেলে। এখানে নিজে নিজেই নিজের মোবাইল দিয়ে অথবা ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে আবেদন জানাতে পারবেন। নিচে পদ্ধতিটি দেওয়া হলো:
ধাপ ১: রেজিস্ট্রেশন (One Time Registration)
-
প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট scholarships.gov.in-এ যান।
-
হোমপেজে ‘New Registration’ বা ‘Apply for Scholarship’ অপশনে ক্লিক করুন।
-
নির্দেশাবলী ভালো করে পড়ে ‘Continue’ করুন।
-
আপনার মোবাইল নম্বর, ইমেইল আইডি এবং আধার নম্বর দিয়ে ভেরিফিকেশন করুন।
-
সফল রেজিস্ট্রেশনের পর আপনার মোবাইলে একটি Application ID এবং Password আসবে। এটি সযত্নে লিখে রাখুন।
- রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াটির সম্পূর্ণ হয়ে গেলে আপনাকে পরবর্তী প্রসেসের জন্য আইটি পাসওয়ার্ড মনে রাখতে হবে এবং লগইন করে পরবর্তী কাজ করতে হবে।
ধাপ ২: লগইন ও ড্যাশবোর্ড
-
Application ID এবং Password দিয়ে পোর্টালে লগইন করুন।
-
প্রথমবার লগইন করার পর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে হতে পারে।
ধাপ ৩: ফর্ম ফিলাপ
-
‘Application Form’ ট্যাবে ক্লিক করুন।
-
এখানে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য (নাম, বাবার নাম, জন্ম তারিখ), শিক্ষাগত তথ্য (বর্তমান কোর্স, আগের রেজাল্ট) এবং ব্যাঙ্কের তথ্য নিখুঁতভাবে পূরণ করুন। বিশেষভাবে মনে রাখবেন এক্ষেত্রে যদি আপনি কোন ভুল তথ্য প্রদান করেন বা আবেদন করার সময় ভুল হয়ে যায় তাহলে আপনি টাকা নাও পেতে পারেন বা আপনার আবেদন পত্র বাতিল হতে পারে।
-
আপনার দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিস্টেম আপনাকে দেখাবে আপনি কোন কোন স্কলারশিপের জন্য যোগ্য। সেখান থেকে উপযুক্ত স্কিমটি সিলেক্ট করুন। এখানে ভুল তথ্য দিলে বা ভুল ভাবে ভুল স্কলারশিপের জন্য আবেদন জানালে আপনারা আবেদন পত্রটি বাতিল হয়ে যাবে।
ধাপ ৪: ফাইনাল সাবমিট
-
সমস্ত তথ্য আর একবার চেক করে নিন। কারণ ‘Final Submit’ করার পর আর এডিট করা যাবে না। তাই আবেদন পত্রটি ফাইনাল সাবমিট করার আগে সমস্ত তথ্য একবার ভালোভাবে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত চেক করে নেবেন।
-
সব ঠিক থাকলে সাবমিট করুন এবং অ্যাপ্লিকেশন ফর্মের প্রিন্ট আউট নিয়ে নিন। আবেদন ফরমটি আপনার নিজের কাছে রেখে দিবেন যেটি পরবর্তীকালে আপনার স্কুল কলেজ বা ইউনিভার্সিটিতে জমা দিতে হবে।
ধাপ ৬: ইনস্টিটিউট ভেরিফিকেশন
-
আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রিন্ট আউট এবং সমস্ত ডকুমেন্টের জেরক্স কপি আপনার স্কুল বা কলেজে জমা দিন। কলেজ থেকে ভেরিফাই করলেই আপনার আবেদন পরবর্তী ধাপে যাবে।
আবেদন পত্রটি কেন বাতিল হতে পারে?
প্রতিবছর দেখা যায় প্রচুর ছাত্র-ছাত্রীর আবেদন পত্র বাতিল হয়ে যায় এক্ষেত্রে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে যেমন আপনি যদি ভুল ডিটেলস দিয়ে থাকেন বা আপনার ব্যাংক একাউন্টের নাম্বার ভুল দিয়ে থাকেন বা আপনার মোবাইল নাম্বারের সঙ্গে আধার লিঙ্ক না থাকে বা আপনি যদি ভুল ইনকাম সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন বা আপনি যদি একই স্কলারশিপ এর জন্য দুইবার আবেদন করেন বা আপনি বিভিন্ন স্কলারশিপ এর জন্য আলাদা আলাদা ভাবে আবেদন করেন তাহলে এই সমস্ত কারণে আপনার আবেদন পত্রটি গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।
NSP Scholarship 2025 ভারতের ছাত্রছাত্রীদের জন্য একটি আশীর্বাদ। অনেক ছাত্র-ছাত্রী টাকার অভাবে পড়াশোনা করতে পারেন না তাদের জন্য এটি দারুন একটি সুখবর। টাকার অভাবে পড়াশোনা মাঝপথে থামিয়ে দেওয়া এখন অতীত। এখন আপনি শুধু পড়াশোনা করতে চাইলে কেন্দ্র সরকার যেমন আপনাকে সাহায্য করবে ঠিক তেমনি রাজ্য সরকার ও বিভিন্নভাবে আপনাকে সাহায্য করবে। কেন্দ্র সরকারের এই উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে আপনিও আপনার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।
দেরি না করে আজই আপনার প্রয়োজনীয় নথিপত্র গুছিয়ে নিন এবং পোর্টাল খুললেই আবেদন করে ফেলুন। মনে রাখবেন, “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড”, আর সেই মেরুদণ্ডকে শক্ত করতে সরকার আপনার পাশে আছে। সরকার চায় সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে নিজের পায়ে সক্ষম ভাবে স্বাবলম্বী হতে।

Our team has been engaged in professional content writing for the past 5 years. With extensive experience in creating high-quality, SEO-friendly, and reader-focused articles, we specialize in delivering accurate information on government schemes, education, jobs, technology, and news updates. Our goal is to provide clear, reliable, and engaging content that adds real value to readers while maintaining the highest editorial standards.
